রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের সিদ্ধান্ত, নতুন রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন যিনি
রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের সিদ্ধান্ত, নতুন রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন যিনি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে সরকার গঠনের অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এমপি ও মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের মধ্যদিয়ে আনষ্ঠানিকভাবে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পাবে দলটি। এ অবস্থায় আলোচনায় এসেছে কে হচ্ছেন আগামী দিনের রাষ্ট্রপতি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বিএনপি, আর রাষ্ট্রপতি হওয়ার আলোচনায় দলটির সিনিয়র নেতারা।
এক্ষেত্রে দলীয়ভাবে আলোচনায় আছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খান। তবে এই তালিকায় থাকা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মোশাররফ হোসেনের নাম জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে। আর রাষ্ট্রপতি করা না হলে মঈন খানকে স্পিকারের দায়িত্ব দেয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।
এদিকে নতুন সরকার গঠনের পরপরই বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে পারেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ২০২৩ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন ৭৫ বছর বয়সী মো. সাহাবুদ্দিন। পদত্যাগের বিষয়ে তিনি গত ডিসেম্বরে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ২০২৩ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন ৭৫ বছর বয়সী মো. সাহাবুদ্দিন। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদের মেয়াদ পাঁচ বছর। সে হিসাবে ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত মেয়াদ আছে মো. সাহাবুদ্দিনের। যদিও সেই সময় পর্যন্ত তিনি পদে থাকছেন না, যা স্পষ্ট হয়েছে রয়টার্সের সঙ্গে দেয়া তার সাক্ষাৎকারে।
পদত্যাগের বিষয়ে রয়টার্সকে তিনি বলেছিলেন, সব কনস্যুলেট, দূতাবাস ও হাইকমিশনে রাষ্ট্রপতির প্রতিকৃতি, রাষ্ট্রপতির ছবি ছিল। হঠাৎ এক রাতেই সেগুলো উধাও করে ফেলা হয়। এতে মানুষের কাছে ভুল বার্তা গেছে, যে সম্ভবত রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে। এতে আমি খুবই অপমানিত বোধ করেছি।
তবে নির্বাচন পর্যন্ত আছেন জানিয়ে মো. সাহাবুদ্দিন বলেছিলেন, ‘নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমার দায়িত্ব পালন করে যাওয়া উচিত। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদে থাকায় আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।’

Comments
Post a Comment