শায়েখ আহমাদুল্লাহকে রাষ্ট্রপতি করার প্রস্তাব নিয়ে হাজির হবেন - তারেক কণ্যা জাইমা রহমান
শায়েখ আহমাদুল্লাহকে রাষ্ট্রপতি করার প্রস্তাব নিয়ে হাজির হবেন - তারেক কণ্যা জাইমা রহমান
: বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য জাইমা রহমান আজ একটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর, সাহসী ও রাজনৈতিক মহলে ঝড় তোলা ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি সরাসরি বলেছেন—শায়েখ আহমাদুল্লাহকে রাষ্ট্রপতি করার প্রস্তাব নিয়ে হাজির হবেন।
জাইমা রহমান রাজধানীর একটি জনসভায় এবং পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে গিয়ে বলেন,
“আমি আজ খুব স্পষ্ট করে বলতে চাই—শায়েখ আহমাদুল্লাহকে রাষ্ট্রপতি করার প্রস্তাব নিয়ে হাজির হব। তিনি এমন একজন ব্যক্তি যিনি ধর্ম, নৈতিকতা, সততা ও জনকল্যাণের প্রতি অটল। দেশের সাধারণ মানুষের কষ্ট তিনি বোঝেন, তাদের পাশে দাঁড়ান। রাজনীতিতে যেখানে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি আর ক্ষমতার অপব্যবহার চলছে—সেখানে শায়েখ আহমাদুল্লাহর মতো একজন নির্লোভ, ধার্মিক ও জনপ্রিয় ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি করা হলে দেশে একটা নতুন আশার আলো জ্বলবে। আমি তারেক রহমানের কন্যা হিসেবে এই প্রস্তাব নিয়ে খুব শীঘ্রই হাজির হব। শায়েখ আহমাদুল্লাহকে রাষ্ট্রপতি করার প্রস্তাব নিয়ে হাজির হব—এটা আমার দৃঢ় সিদ্ধান্ত।”
“আমাদের দেশে এখন এমন একজন রাষ্ট্রপতি দরকার যিনি কোনো দলের চাপে নয়, কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়—শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করবেন। শায়েখ আহমাদুল্লাহ সেই ব্যক্তি। তাঁর জীবন, তাঁর কথা, তাঁর আচরণ—সবকিছু মানুষের কাছে উদাহরণ। আমি বিশ্বাস করি, তাঁকে রাষ্ট্রপতি করলে দেশে নৈতিকতা, সততা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ ফিরে আসবে। এই প্রস্তাব নিয়ে আমি খুব শীঘ্রই সবার সামনে হাজির হব।
- বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে এই ঘোষণা নতুন করে উৎসাহ ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকে লিখছেন:
“জাইমা আপা ঠিক বলেছেন। শায়েখ আহমাদুল্লাহকে রাষ্ট্রপতি করলে দেশে নতুন যুগ শুরু হবে।”
- সোশ্যাল মিডিয়ায় বক্তব্যটি দ্রুত ভাইরাল হয়েছে। হ্যাশট্যাগ #JaimaProposesShaikhAhmadullah, #ShaikhForPresident, #JaimaRahmanSpeech দ্রুত ট্রেন্ড করছে।
অনেকে লিখছেন: “শায়েখ আহমাদুল্লাহকে রাষ্ট্রপতি করার প্রস্তাব—এটা সত্যিই দারুণ চিন্তা।”
অন্যরা বলছেন: “এটা কি রাজনৈতিক খেলা? নাকি সত্যিকারের প্রস্তাব?”
- ধর্মপ্রাণ মানুষ ও সাধারণ জনগণের মধ্যে বক্তব্যটি ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। অনেকে বলছেন—এমন একজন নির্লোভ ও ধার্মিক ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি করা হলে দেশে নৈতিকতা ফিরে আসবে।
- আওয়ামী লীগ ও সরকারপন্থী মহলে এই বক্তব্যকে “অবাস্তব ও রাজনৈতিক উসকানি” বলে সমালোচনা করা হচ্ছে। অনেকে বলছেন—এটা শুধু জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা।
জাইমা রহমানের এই অভূতপূর্ব ও সাহসী ঘোষণা দেশের রাজনীতি, ধর্মীয় নেতৃত্ব এবং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে নতুন করে তীব্র বিতর্ক শুরু করেছে। অনেকে মনে করছেন—এটি রাজনৈতিক ময়দানে নতুন একটা সমীকরণ তৈরি করতে পারে।
উক্ত ঘোষণাটি বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে।
*বি.দ্রষ্টব্য: এই সংবাদের তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং এটি সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। আমরা এর নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো ওয়ারেন্টি দিই না এবং এর উপর নির্ভর করে কোনো ক্ষতির জন্য দায়ী নই। তাছাড়া এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক, কোনো ফ্যাক্টুয়াল ক্লেইম নয়)

Comments
Post a Comment