পাম্পে তেল সংকটের কারণ জানা গেল
দেশের জ্বালানি তেল পাম্পগুলোতে তেল সংকট দেখা দিয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঈদের ছুটি শেষে ব্যাংক খুললে পে-অর্ডারের পর তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হবে। এদিকে তেল না পেয়ে পাম্পে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন গ্রাহকরা।অনেক এলাকায় স্টেশন স্টাফদের মারধরের তথ্য পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে সতর্ক বার্তা দিয়েছে ঢাকা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস্ ও বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
স্টেশনের স্টাফদের মারধরসহ ফিলিং স্টেশন ভাঙচুরের ঘটনা রোধে পেট্রোল পাম্প মালিকদের চিঠি দেওয়া হয়েছে অ্যাসোসিয়েশন থেকে।
ঢাকা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস্ ও বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।এতে পে-অর্ডার করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ডিপো থেকে নতুন করে তেল তুলতে পারছেন না পেট্রল পাম্পের মালিকরা। এ কারণে পাম্পে তেল সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সাজ্জাদুল কবির।
ঈদের ছুটি শেষে আগামীকাল মঙ্গলবার খুলবে ব্যাংক। এরপর থেকে আবারও পাম্পে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে জানান তিনি।
গত ৬ মার্চ জ্বালানি বিক্রিতে রেশনিং চালু করলেও ১৫ মার্চ তা তুলে নেয় সরকার। তবে সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়ায় সংকট কাটেনি।
এদিকে রবিবার রাতে নিরাপত্তার স্বার্থে এবং তেল সরবরাহ না পাওয়ার কারণে যেকোনো সময় সারাদেশের পেট্রল পাম্প (ফিলিং স্টেশন) বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে নিজেদের ফেসবুক পেজে সতর্কবার্তা জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। ব্যাংক খুললেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Comments
Post a Comment