ওবায়দুল কাদের আর নেই

 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের মারা গেছেন দাবিতে সম্প্রতি ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের তিনটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার বলছে প্রচারিত ফটোকার্ডগুলো ভুয়া।


রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, ওবায়দুল কাদের মারা গেছেন দাবিতে উক্ত গণমাধ্যমগুলো কোনো ফটোকার্ড কিংবা সংবাদ প্রকাশ করেনি। গণমাধ্যমগুলোর ডিজাইন নকল করে আলোচিত ফটোকার্ডগুলো প্রচার করা হয়েছে।


এ বিষয়ে অনুসন্ধানে আলোচিত ফটোকার্ডগুলোতে উল্লিখিত দাবিগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে প্রাসঙ্গিক একাধিক কি ওয়ার্ড সার্চ করেও গণমাধ্যম কিংবা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে উক্ত দাবিগুলোর সত্যতা পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে আলোচিত ফটোকার্ডগুলো পৃথকভাবে যাচাই করেও কোনো সত্যতা পায়নি রিউমর স্ক্যানার। পাশাপাশি, আলোচিত দাবি সমর্থিত কোনো তথ্য অন্য কোনো গণমাধ্যমেও পাওয়া যায়নি। সুতরাং ওবায়দুল কাদের মারা গেছেন দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডগুলো ভুয়া।


অন্যদিকে জানা গেছে, কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালের ভেন্টিলেশনে নেয়া ওবায়দুল কাদের নতুন করে কোন ধরনের চিকিৎসা নিতে পারছেন না। হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে, এই সংকটাপন্ন অবস্থায় পরিবারের সিদ্ধান্ত তাকে কলকাতার বাড়িতে ফিরিয়ে নেয়া হবে। বাড়িতেই চিকিৎসক ও লাইফ সাপোর্টসহ মেডিকেল ফেসিলিটির মাধ্যমে তাকে রাখা হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ভারতে পালিয়ে যাওয়া ওবায়দুল কাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) আচমকাই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রায় সংজ্ঞাহীন অবস্থায় তাকে কলকাতার বাইপাসের কাছে অ্যাপোলো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।


বার্ধক্যজনিত একাধিক অসুস্থতার কারণে বেশ কিছুদিন যাবত শয্যাশায়ী ছিলেন ওবায়দুল কাদের। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, কলকাতার নিউ টাউনের বাড়িতেই চলছিল অক্সিজেন। হাসপাতালে ভর্তির পরেই তাকে দেয়া হয় ভেন্টিলেশনে। তখন হাসপাতাল সূত্র জানায় চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন তিনি, তবে অবস্থা বেশ সংকটজনক। বিশ্বকে ১৫০ বার ধ্বংসের মতো অস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রের আছে, ট্রাম্প আমাদেরকে যেভাবে বোকা বানিয়েছে গত জুনে সংবাদমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ওবায়দুল কাদের জানান, তিনি এখনো কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি ভারতের কলকাতায় অবস্থান করছেন বলেও সে সময় উল্লেখ করেন। তিনি জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতনের পর তিন মাস বাসা বদল করে আত্নগোপনে ছিলেন; শেষ পর্যন্ত তিন মাস পর ২০২৪ সালের নভেম্বরে তিনি দেশ ছেড়েছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের দমননীতির জন্য ক্ষমা চাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারা যখন দেশে এসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর পরিবেশ পাবেন, তখন ক্ষমা চাওয়া, ভুল স্বীকার করা বা অনুশোচনার বিষয় আসবে। ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন ওবায়দুল কাদের। ২০১১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪-এর আগস্ট পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। আওয়ামী লীগের এই প্রভাবশালী নেতা নোয়াখালী-৫ আসন থেকে টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

Countdown Timer
00:01

Comments

Popular posts from this blog

বী র্য-পাত বন্ধ রেখে রাতভর স হ-বাস করতে যা করবেন

ব্রেকিং >> রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন বিএনপির জনপ্রিয় নেতা...

ল"জ্জা"স্থান মুখে নেওয়া কী জায়েজ ইসলাম কী বলে